
কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের বাথরুম থেকে কুলসুমা আক্তার (২৬) নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের সঙ্গে হোটেলে ওঠা এক যুবক ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পাশে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত কুলসুমা ঈদগাঁও উপজেলার চাঁন্দেরঘোনা এলাকার মোহাম্মদ হারুনের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, স্বামী হারুনের সঙ্গে কুলসুমার পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বুধবার মামলার শুনানিতে তিন বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে আদালতে গিয়েছিলেন কুলসুমা। এরপর কীভাবে তিনি ওই হোটেলে গেলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, হোটেলের রেজিস্টারে কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবক নিজের নাম ‘মোহাম্মদ আরফান’ উল্লেখ করেছিলেন। তবে নিহতের স্বজনরা এ নামে কাউকে চেনেন না। কুলসুমার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ওসি জানান, ঘটনার পর থেকে ওই যুবক পলাতক। তাকে কুলসুমার সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ব্যক্তি বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হোটেলের দুই কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।